back to top
শুক্রবার, জানুয়ারি ১৬, ২০২৬

| ২রা মাঘ, ১৪৩২

সর্বাধিক পঠিত

একই দিনে জাতীয় নির্বাচন–গণভোটে চ্যালেঞ্জ দেখছেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসের আয়োজনে নির্বাচন বিষয়ক এক কর্মশালায় এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট করার জন্য এমন মুখোমুখি পরিস্থিতিতে পূর্ববর্তী নির্বাচন কমিশন কখনও হয়নি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি নিতে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। সামনের সপ্তাহে গণভোটের আইন করা হবে। আইনটা হয়ে গেলে গণভোটের প্রস্তুতি শুরু করবে কমিশন।

সিইসি বলেন, আগের নির্বাচন কমিশনকে এতটা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়নি যা বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। কারণ আইন মেনেই সব প্রক্রিয়া হচ্ছে। আমাদের ২য় কোনও অপশন নেই। 


গত ১৩ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জনইচ্ছা সনদ নিয়ে গণভোট হবে।

নির্বাচন ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা বিশাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ২-৩ দিনে এটা (জনগণের প্রত্যাশা) বুঝতে পেরেছি। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। যে চ্যালেঞ্জই সামনেই আসুক আমাদের মূল লক্ষ্যই জাতিকে স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেয়া। এই প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক দলগুলোকেও দেয়া রয়েছে।

সিইসি আরও বলেন, ‘চারটি পয়েন্টেই “হ্যাঁ” ও “না” ভোট হবে। সামনের সপ্তাহে গণভোটের আইন করা হবে। আইনটা হয়ে গেলে গণভোটের প্রস্তুতি শুরু করবে কমিশন। একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট করা ইসির জন্য চ্যালেঞ্জ।’

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন। এর বেশিও নয়, কমও নয়। এ ব্যাপারে আমাদের প্রবল আত্মবিশ্বাস রয়েছে, বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। 

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতা খুব একটা মসৃণ নয়। তবে স্বচ্ছ নির্বাচনের পর সকল পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস, আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা দায়িত্ববান ও বিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত হচ্ছি। তবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। অন্তর্বর্তী সরকার হলেও এটা অন্তর্বর্তী নির্বাচন কমিশন না। এ কমিশন গঠন পূর্ণভাবেই হয়েছে।’

২১ লাখ মৃত ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রবাসীরা ভোট দিতে পারেনি। এবার তারা পোস্টালের মাধ্যমে ভোট দেবে—সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুধু পাসপোর্ট না, জেনুইন বাংলাদেশি কিনা সেটা যাচাই করা হবে।’

সিইসি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা সেই মোতাবেক কাজ করছি। ভোটার তালিকা আপডেট থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। আগামীতে যত চ্যালেঞ্জই আসুক, মোকাবিলা করে আমাদের প্রতিজ্ঞা আমরা রাখব। সঠিক সময়ে নির্বাচনের জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’

আরও পড়ুন