টিকা গ্রহণ বাড়াতে ৪–৮ বছরের মেয়েদেরও এইচপিভি টিকাদানের পরামর্শ ডব্লিউএইচওর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৭, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বজুড়ে এইচপিভি টিকা গ্রহণের হার বাড়াতে ৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদেরও নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করতে দেশগুলোর প্রতি সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে এ উদ্যোগে টিকা গ্রহণের হার ও আওতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকতে হবে।
মঙ্গলবার ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত উপদেষ্টা দলের (এসএজিই) প্রধান অ্যান্থনি স্কট এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশ এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চালু করলেও টিকা গ্রহণের হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। অথচ সংস্থাটির লক্ষ্যমাত্রা ৯০ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাদান এখনো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ বয়সীদের জন্য এক ডোজের টিকা কর্মসূচিকে বিশ্বব্যাপী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করছে এসএজিই। তবে কোনো দেশে ৪ থেকে ৮ বছর বয়সীদের টিকা দিলে সামগ্রিক গ্রহণের হার বাড়বে বলে মনে হলে তাদেরও কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
এইচপিভির দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার নারী এ ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মারা যান।
সংস্থাটির টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে।
এসএজিই আরও বলেছে, নির্ধারিত সময়ে টিকা নিতে না পারা ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকা দেওয়ার সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের টিকাদান এবং ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেদের নিয়মিত টিকা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে।
এফএইচ/বিএ/পিআর