ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক, ১৪৩৩

/ Breaking News

উত্তরায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে মহাসড়কে অচলাবস্থা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮:৪৪, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

উত্তরায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে মহাসড়কে অচলাবস্থা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
রাজধানীর উত্তরায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে আজমপুর ও বিমানবন্দর সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন তাঁরা। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও কর্মজীবী মানুষ।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকেরা বিমানবন্দর ও আজমপুর এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা ১১টার দিকে তাঁরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে মহাসড়কের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধের প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। যানজটে আটকে পড়ে বহু যানবাহন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অনেকে বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা হন।

শ্রমিকদের দাবি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ মজুরি বাড়াতে হবে। তাঁদের ভাষ্য, দ্রব্যমূল্য কমানো অথবা আয় বাড়ানোর ব্যবস্থা না হলে দৈনন্দিন ব্যয় মেটানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠবে।

শ্রমিকদের এ আন্দোলন বুধবার তৃতীয় দিনে গড়ায়। এর আগে সোমবারও উত্তরার আজমপুর এলাকায় বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা একই দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবেল হকের বরাতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবার সকালে শ্রমিকেরা আজমপুর এলাকায় সড়কে নামলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে তাঁরা বিমানবন্দরের দিকে সরে যান। এতে বিমানবন্দর সড়কেও যান চলাচল ব্যাহত হয়।

তবে দুপুরের দিকে পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আল আমিন সরকার জানান, পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং সড়কের একাংশ আবার চালু করা হয়েছে। 

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও জরুরি কাজে বের হওয়া ব্যক্তিদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতেও আরও হালনাগাদ তথ্য প্রয়োজন।

এফএইচ/বিএ/পিআর

সর্বোচ্চ পঠিত - Breaking News

আপনার জন্য নির্বাচিত