ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক, ১৪৩৩

/ Breaking News

বাংলাদেশি চিকিৎসকদের জন্য চীন-পাকিস্তানের দুয়ার খোলা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:২৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশি চিকিৎসকদের জন্য চীন-পাকিস্তানের দুয়ার খোলা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও ফেলোশিপের সুযোগ দিতে চীন ও পাকিস্তান তাদের দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশি চিকিৎসকদের ফেলোশিপে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির হাসপাতালগুলোতে তাঁদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে চীনা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে এসে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চীনেও নিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটকে ১৩৫ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পাকিস্তানের সহযোগিতায় ক্যান্সার চিকিৎসার সুযোগ

পাকিস্তানের সহযোগিতার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি। একই সঙ্গে পাকিস্তানি চিকিৎসকরাও বাংলাদেশে এসে দেশের চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে।

রোগ প্রতিরোধেও চিকিৎসকদের ভূমিকার আহ্বান

স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের শুধু রোগীর চিকিৎসার মধ্যে দায়িত্ব সীমাবদ্ধ না রেখে রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া, এইচআইভিসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসকদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে রোগের কারণ, প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।

বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ

বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাঁদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বিয়ের আগে ছেলে ও মেয়ের রক্ত পরীক্ষা করা উচিত।

তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সব রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। সন্তানদের স্বাস্থ্য বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করার পাশাপাশি চিকিৎসকেরা কর্মস্থল ও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে থ্যালাসেমিয়া, এইচআইভি ও ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পারেন।

হাত ধোয়া ও পরিচ্ছন্নতার মতো মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এফএইচ/বিএ/পিআর

সর্বোচ্চ পঠিত - Breaking News

আপনার জন্য নির্বাচিত