বোয়িং কেনায় ‘লুকানো এজেন্ডা নেই’, প্রয়োজন অনুযায়ী বহর বাড়াবে বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৩, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তাঁর মতে, এবারের সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা বিশ্বপরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ ও সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে। চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়া অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
বোয়িং কেনার বিষয়ে যা বললেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বোয়িং কেনার চুক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে এবং উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই তা সম্পন্ন হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন বলে তিনি জানান।
হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী বোয়িং বিমান কেনা হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে। তবে ভবিষ্যতে রুট বাড়ানো এবং বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে মিশ্র বহর প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিমানের বহর আরও বাড়ানো দরকার। যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং ক্রমবর্ধমান এভিয়েশন হাব হিসেবে দেশের সক্ষমতা বাড়াতে বহর সম্প্রসারণ প্রয়োজন।
বোয়িং কেনার ক্ষেত্রে কোনো গোপন বিষয় বা লুকানো এজেন্ডা নেই বলেও দাবি করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি খোলামেলাভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বিমান কেনা হতে পারে।
এফএইচ/বিএ/পিআর