চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে যুদ্ধের মুখে, রাশিয়ায় বাংলাদেশিদের নিয়ে ভয়ংকর অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:০৬, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
বেসামরিক চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশসহ ২৯টি দেশের নাগরিককে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের জন্য পাচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন। প্রতারণা ও জবরদস্তির মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের রুশ বাহিনীতে যুক্ত করার প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। তাঁদের অনেককে পরে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। সেখানে কেউ নিহত, আহত, বন্দী কিংবা নিখোঁজ হয়েছেন।
জাতিসংঘের তদন্তে উঠে এসেছে, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় নিয়োগকারী চক্র আকর্ষণীয় বেতনের চাকরির প্রস্তাব দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের রাশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের অনেককে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। চুক্তিগুলো রুশ ভাষায় লেখা থাকায় অনেকে এর শর্ত বুঝতে পারেননি। কমিশন এসব ঘটনায় মানবপাচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এ ধরনের প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। গত ১৪ অক্টোবর বিশেষায়িত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) জানায়, নির্মাণশ্রমিকের চাকরির আশ্বাসে রাশিয়ায় যাওয়া ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের ১৭ জন যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েনের প্রথম দিনেই ড্রোন হামলায় নিহত হন বলে বাহিনীটির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
৪৮ দেশের নাগরিকদের নিয়ে তদন্ত, ২৯ দেশে প্রতারণার প্রমাণ
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীতে বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগের ঘটনা ৪৮টি দেশের ক্ষেত্রে তদন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা বা জবরদস্তির মাধ্যমে নিয়োগের প্রমাণ পেয়েছে কমিশন।
তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ফিলিপাইন, ঘানা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, উজবেকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, বেলারুশ, ব্রাজিল ও কলম্বিয়াসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতারণা বা জবরদস্তির শিকার ব্যক্তিরা সবাই পুরুষ। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। অধিকাংশই আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য এবং সীমিত শিক্ষার সুযোগ পাওয়া মানুষ। তাঁদের অর্থনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে রাশিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হতো।
বেসামরিক চাকরির বিজ্ঞাপন, পরে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ
কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের নিয়োগকারী এজেন্ট ও সংস্থাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রাশিয়ায় চাকরির বিজ্ঞাপন দিত। নিরাপত্তাকর্মী, গাড়িচালক, নির্মাণশ্রমিক, মেকানিক, ইলেকট্রিশিয়ান, কারখানার শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাশিয়ার নাগরিকত্ব ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল।
নিয়োগকারীরা নিজেদের বৈধ কিংবা সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচয় দিতেন। চাকরির প্রস্তাব বিশ্বাসযোগ্য করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র দেখানো হতো। এরপর ভিসা, উড়োজাহাজের টিকিট ও ভ্রমণের ব্যবস্থা করে তাঁদের রাশিয়ায় পাঠানো হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিয়োগকারী এজেন্টরা নিজেরাও তাঁদের সঙ্গে রাশিয়ায় যেতেন।
বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে কমিশন রাশিয়ায় যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি ব্যবসায়িক ভিসার অনুলিপি সংগ্রহ করেছে। এসব ভিসায় রাশিয়ার একটি বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণের তথ্য ছিল। তবে কমিশনের সামগ্রিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বেসামরিক কাজের প্রতিশ্রুতির আড়ালে বিদেশি নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ঘটনাও ঘটেছে।
রুশ ভাষার চুক্তিতে স্বাক্ষর, কেড়ে নেওয়া হয় পাসপোর্ট
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর অনেক বিদেশি নাগরিককে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। চুক্তিগুলো রুশ ভাষায় লেখা থাকায় অনেকে কী শর্তে স্বাক্ষর করছেন, তা বুঝতে পারেননি।
কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের পাসপোর্ট ও মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং চলাফেরার স্বাধীনতা সীমিত করা হয়। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন, প্রতিশ্রুত বেসামরিক চাকরির বদলে তাঁদের রুশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে হবে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এক ভুক্তভোগীর স্ত্রীর বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। ওই নারী জানান, তাঁর স্বামীর পাসপোর্ট নিয়ে তাঁকে চুক্তির বিভিন্ন জায়গায় স্বাক্ষর করতে বলা হয়েছিল। চুক্তিটি ছিল শুধু রুশ ভাষায়। তাঁর স্বামী প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলেন এবং কার্যত তাঁর সামনে কোনো বিকল্প ছিল না।
কমিশনের অনুসন্ধানে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকদের ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয় এবং বিপজ্জনক দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁদের অনেকে নিহত, আহত, বন্দী কিংবা নিখোঁজ হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, আর্থিক চাপ ও স্বজনের খোঁজ না পাওয়ার দুর্ভোগে পড়েছেন।
৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর খবর
বাংলাদেশে রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে মানবপাচারের একটি ঘটনায় এসআরবির তদন্তে ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। বাহিনীটির ১৪ অক্টোবরের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্মাণকাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের রুশ সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে অভিযোগ উঠে এসেছে।
এসআরবির প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, মাত্র ২১ দিনের সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৭ জন প্রথম দিনেই ড্রোন হামলায় নিহত হন বলে জানায় বাহিনীটি। বাকি ছয়জন তখনো যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলেন; দুজন দেশে ফিরেছেন এবং আরও দুজন মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে ওই সময়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তদন্তে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জনপ্রতি গড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর দুই কথিত নিয়োগকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে মিজানুর রহমান ও আবু তাহের লেন্টু রয়েছেন। তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটির সঙ্গে রাশিয়া ও কিরগিজস্তানে থাকা আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছিল।
তিন বছরে অন্তত ৫৪ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া বাংলাদেশিদের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিক হিসাব সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সংবাদপ্রতিবেদন ও মানবাধিকার সংগঠনের বক্তব্যে গত তিন বছরে অন্তত ৫৪ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সব ঘটনার আনুষ্ঠানিক যাচাই সম্পন্ন হয়নি; কারও মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি, আবার কেউ নিখোঁজ রয়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
এদিকে, ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত ফোর্টিফাই রাইটস ও ট্রুথ হাউন্ডসের যৌথ অনুসন্ধানে বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত ১০৪ বাংলাদেশিকে রুশ সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। এই হিসাবটি জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের ২৯ দেশের সামগ্রিক তথ্যের সঙ্গে সরাসরি তুলনীয় নয়; এটি বাংলাদেশিদের বিষয়ে পৃথক অনুসন্ধানের ফল।
পরিবারের ঋণ, নিখোঁজ স্বজন ও মরদেহ ফেরানোর অনিশ্চয়তা
চাকরির আশায় রাশিয়ায় যাওয়া অনেক বাংলাদেশির পরিবার বিদেশে পাঠানোর খরচ জোগাতে ঋণ করেছে, জমি বন্ধক রেখেছে কিংবা স্বর্ণালংকার বিক্রি করেছে। পরে স্বজনের মৃত্যুসংবাদ পেলেও কোনো কোনো পরিবার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও অনেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছেন না।
গত ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের তিন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর উঠে আসে। তাঁদের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্মাণশ্রমিকের কাজের আশায় তাঁরা রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁদের পাসপোর্ট ও মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। তাঁদের পরিবার এখন স্বজন হারানোর শোকের পাশাপাশি ঋণের বোঝাও বহন করছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি
(এইচআরএসএস) ২২ অক্টোবর বাংলাদেশিদের মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানায়। সংগঠনটি নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা, নিখোঁজদের সন্ধান এবং নিয়োগে প্রতারণার অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
আগেই সতর্ক করেছিল ব্র্যাক
রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের অভিযোগ নতুন নয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক গবেষণায় এ ধরনের প্রতারণার চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সাক্ষাৎকার, নথি এবং আইনি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি ওই গবেষণায় বলা হয়, ভালো বেতনের চাকরির আশায় বৈধ ভিসায় রাশিয়ায় যাওয়ার পর কিছু বাংলাদেশিকে জোর করে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।
গবেষণায় এ ধরনের প্রতারণা বন্ধ, ভুক্তভোগীদের উদ্ধারে উদ্যোগ এবং সরকারি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
পাচার বন্ধ ও ভুক্তভোগীদের মুক্তির আহ্বান
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন বলেছে, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় নিয়োগকারী চক্রের সঙ্গে রুশ কর্তৃপক্ষের উচ্চমাত্রার সমন্বয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, আর্থিক দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া এবং জোর করে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানোর মতো কর্মকাণ্ড বিদেশি নাগরিকদের পাচার করে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
কমিশন রাশিয়াকে এ ধরনের নিয়োগ বন্ধ করা, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সামরিক বাহিনী থেকে অব্যাহতি দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারকে ভুক্তভোগীদের মুক্তির জন্য রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ, পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রতারণামূলক নিয়োগ ঠেকাতে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর সুপারিশ করেছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো—যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা ও নিখোঁজ নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য তালিকা তৈরি, তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করা, নিহতদের মরদেহ ফিরিয়ে আনা এবং দায়ী নিয়োগকারী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। বিভিন্ন প্রতিবেদনে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে ভিন্নতা থাকায় সরকারি পর্যায়ে যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশ ও পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়াও জরুরি হয়ে উঠেছে।
এফএইচ/বিএ/পিআর